ব্যতিক্রমী চাষে নতুন সম্ভাবনা
তানোরে মাচায় তরমুজ চাষে কামরুলের সাফল্য
ছবি: সংবাদ ২৪ ঘন্টা
তানোরে মাচায় তরমুজ চাষে কামরুলের সাফল্য
সংবাদ ২৪ ঘন্টা
০৭ সেপ্টে ২০২৬
সোহানুল হক পারভেজ
তানোর,রাজশাহী।
বরেন্দ্র ভূমির তানোরে ধান, আলু ও আম চাষে কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে সাফল্য অর্জন করছেন। তবে পানির সংকট এখানকার বহু পুরাতন সমস্যা। এবার কিছু কৃষক গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে সরে গিয়ে নতুন সম্ভাবনাময় ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হলো:মাচায় তরমুজ চাষ, যা সফল করেছেন জাকির নামের চাষি।এখন তাঁদের মাচায় ঝুলছে অফ-সিজনের তরমুজ।তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কামরুল পরীক্ষামূলকভাবে ৩৩ শতক জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। পাঁচন্দর ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামের কামরুল তার এই নিজ জমিতে,উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রবিউল ইসলামের পরামর্শ ও সহযোগিতায়,গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে কয়েক জাতের তরমুজ বীজ বপন করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি গাছে ঝুলছে শত শত তরমুজ, যার মধ্যে রয়েছে রঙ্গীলা, আম্বার সুইট, হলুদ মধুমালা ও ডোরাকাটা জাত।তরমুজ চাষি কারুল জানান, মৌসুমি তরমুজের তুলনায় দেশে অফ-সিজনাল তরমুজের চাহিদা বেশি। ১২-১৪ দিনের মধ্যে তরমুজ উঠানো শুরু হবে। ইতোমধ্যেই স্থানীয় ও বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তরমুজ কেনার জন্য যোগাযোগ করছেন।SACP-RAINS প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়েছে প্রকল্প এবং কৃষক মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এখন বিক্রি হবে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
তানোর উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র ভূমিতে তরমুজের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে। অনেক কৃষক মাচায় তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এমন ফলন দেখে তিনি নিজেই নিয়মিত মাঠে গিয়ে দেখভাল করছেন। প্রতি হেক্টরে ৫০ মেট্রিক টন ফলনের আশা করা যাচ্ছে।
শেয়ার করুন
বস্তনিষ্ঠ সংবাদের একমাত্র অনলাইন ঠিকানা